Home অপরাধ ভাই ও ভাবীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আবদুল্লাহর

ভাই ও ভাবীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আবদুল্লাহর

53

 

শহর প্রতিনিধি :-আমার ভাই আবদুল মান্নান ও ভাবী সোনাভান বিবিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি গ্রামের মো. আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন আমার ভাই ও ভাবীর মধ্যে স্বাভাবিক পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। আমার ভাই যেমন কোনো হিং¯্র ব্যক্তি ছিলেন না তেমনি ভাবীও ছিলেন মাটির মানুষ। তাদেরকে হত্যা করে তা ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী কুচক্রী মহলটি প্রচার দেয় যে আবদুল মান্নান তার স্ত্রী সোনাভান বিবিকে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছে।
বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন আবদুল মান্নানের ভাই মো. আবদুল্লাহ। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন গত ৮ ডিসেম্বর ভাবী সোনাভানকে কুপিয়ে হত্যার পর বাড়ির কাছে একটি ঈদগাহের মাঠে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পাশেই পড়ে থাকতে দেখা যায় একটি কুড়াল। একই সময়ে গ্রামবাসী প্রত্যক্ষ করেন যে আমার ভাই আবদুল মান্নান গরুর রশির ফাঁসে গাছে ঝুলছেন। তিনি জানান আমরা এ ঘটনা জানার আগেই একটি কুচক্রী মহল প্রচার দেয় যে ভাবী সোনাভানকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর আমার ভাই মান্নান গাছে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। এ খবর পৌছে যায় পুলিশ ও মিডিয়ার কাছে। তিনি জানান এ বিষয়ে শ্যামনগর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। তিনি বলেন প্রভাবশালী কুচক্রীমহলটি হত্যা করে আত্মহত্যার প্রচার দিয়ে সেই থেকে গা ঢাকা দিয়েছে। তিনি তাদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানান।
আবদুল মান্নান বলেন একটি প্রভাবশালী মহলের সাথে আমাদের জমি নিয়ে দীর্ঘ দিনের শত্রুতা রয়েছে। তারাই এই জোড়া খুনের সাথে জড়িত। এখন সেই মহলটি আমার মৃত ভাইয়ের সন্তানদের কাছে যেয়ে আমাদের ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য উসকানি দি”েছ। তিনি বলেন তাদের কথাবার্তা এবং আচরনে আমাদের সন্দেহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবদুল্লাহ জানান ভাবী সেনাভান বুলবুলের সময় নদীতে কাঁকড়া ধরার সময় পানিতে ডুবে যা”িছলেন। আমার ভাই তাকে উদ্ধার করেন। তাদের মধ্যে যে মধুর সম্পর্ক ছিল এটা তারই প্রমান। তিনি নিশ্চিত করে বলেন আমার ভাই মান্নান তার স্ত্রীকে খুন করেন নি।তিনি আত্মহত্যা ও করেন নি।এই দুই ঘটনাই পরিকল্পিত হত্যা উল্লেখ করে তিনি ঘাতকদের গ্রেফতার দাবি করেন। এ বিষয়ে তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।